ডায়াবেটিস কত প্রকার এবং কি কি?
ডায়াবেটিস আজকাল অনেক সাধারণ একটি রোগে পরিণত হয়েছে। কিন্তু জানেন কি, ডায়াবেটিস এক ধরনের নয় – একাধিক প্রকারের হতে পারে?
এই
আর্টিকেলে আমরা
সহজভাবে জানবো:
“ডায়াবেটিস কত প্রকার এবং কি কি?” এবং কেন একজন অভিজ্ঞ ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ডায়াবেটিস কী?
ডায়াবেটিস হলো
এমন
একটি
রোগ,
যেখানে
শরীর
পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি
করতে
পারে
না
বা
তৈরি
করলেও
তা
ঠিকভাবে কাজ
করে
না।
ফলে
রক্তে
শর্করার (গ্লুকোজ) পরিমাণ
বেড়ে
যায়
এবং
শরীরে
নানা
জটিলতা
দেখা
দেয়।
ডায়াবেটিস কত প্রকার?
ডায়াবেটিস মূলত
তিনটি
প্রধান
ধরনের
হয়ে
থাকে:
১. টাইপ ১ ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes)
- সাধারণত শিশু বা তরুণদের হয়
- শরীর ইনসুলিন একেবারেই
তৈরি করতে পারে না
- ইনসুলিন ইনজেকশনের
উপর নির্ভর করতে হয়
২. টাইপ ২ ডায়াবেটিস (Type 2 Diabetes)
- প্রাপ্তবয়স্কদের
মধ্যে বেশি দেখা যায়
- ইনসুলিন তৈরি হয় কিন্তু কাজ করে না
- জীবনধারা
পরিবর্তন, ওষুধ ও
ইনসুলিনে নিয়ন্ত্রণ করা যায়
৩. গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes)
- গর্ভাবস্থায়
মায়েদের মধ্যে দেখা যায়
- সন্তান প্রসবের পর অনেক সময় স্বাভাবিক
হয়ে যায়
- তবে ভবিষ্যতে
টাইপ ২
ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে
আরও কিছু কম পরিচিত ডায়াবেটিস টাইপ:
- MODY (Maturity-Onset Diabetes of the Young)
- LADA (Latent Autoimmune Diabetes in Adults)
এগুলো তুলনামূলকভাবে বিরল, তবে চিকিৎসা পদ্ধতি আলাদা।
কখন ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা জরুরি?
- অতিরিক্ত
পিপাসা ও
প্রস্রাব
- ওজন হ্রাস
- চোখ ঝাপসা দেখা
- ক্ষত শুকাতে দেরি হওয়া
- অতিরিক্ত
ক্লান্তি ও
দুর্বলতা
এই
উপসর্গগুলো থাকলে
দেরি
না
করে
একজন
দক্ষ
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর কাছে
যান।
উপসংহার
ডায়াবেটিস যত
তাড়াতাড়ি ধরা
পড়বে,
তত
সহজে
তা
নিয়ন্ত্রণে আনা
যাবে।
রোগের
ধরন
অনুযায়ী চিকিৎসা এবং
জীবনযাপনের পরিকল্পনা নির্ভর
করে
একজন
অভিজ্ঞ
চিকিৎসকের উপর।
তাই
সন্দেহ
হলে
এখনই
যোগাযোগ করুন
ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সঙ্গে,
এবং
আপনার
সুস্থ
ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করুন।
আপনার
যদি
আরও
প্রশ্ন
থাকে,
কমেন্ট
করুন
বা
ইনবক্সে জানাতে
পারেন।
সচেতনতাই সুস্থতার প্রথম ধাপ!

Comments
Post a Comment